চতুর্থ পাঠে কে আগে যাবে তার নিয়ম শেখা হয়েছে। এবার সবচেয়ে বেশি ওজনের বিষয়ে আসা যাক: ট্রাফিক চিহ্ন। পরীক্ষার প্রায় ২৫% প্রশ্ন এখান থেকেই আসে, স্পেনের যেকোনো বিষয়ের চেয়ে বেশি।
সুখবর হলো, চিহ্ন চেনার জন্য প্রতিটা আলাদা চিহ্ন মুখস্থ করার দরকার নেই। শুধু আকার আর রঙের একটা সহজ কোড শিখে ফেললেই বেশিরভাগ চিহ্নের অর্থ অনুমান করা যায়।
#আকার আর রঙের কোড
- ত্রিভুজ, লাল কিনারা, সাদা/হলুদ ভেতর: বিপদ সতর্কতা (peligro)। সামনে বাঁক, স্কুল, পশু পারাপার, ইত্যাদি কোনো বিপদ আছে।
- বৃত্ত, লাল কিনারা, সাদা ভেতর: নিষেধাজ্ঞা (prohibición)। কিছু একটা করা নিষেধ, যেমন প্রবেশ নিষেধ বা নির্দিষ্ট গতির বেশি না যাওয়া।
- বৃত্ত, নীল ভেতর: বাধ্যবাধকতা (obligación)। কিছু একটা করতেই হবে, যেমন নির্দিষ্ট দিকে যাওয়া বা চেইন ব্যবহার করা।
- আয়তক্ষেত্র বা বর্গক্ষেত্র, নীল (কখনো সবুজ) ভেতর: তথ্য (indicación)। রাস্তার ধরন, সেবা, দিকনির্দেশনা।
#দুটো ব্যতিক্রম: STOP আর Ceda el paso
এই দুটো চিহ্ন উপরের সাধারণ কোডে পড়ে না, তাই আলাদাভাবে মনে রাখা দরকার।
- STOP: অষ্টভুজাকার, লাল। সম্পূর্ণভাবে থামতে হবে, শুধু গতি কমানো যথেষ্ট না। না থামলে জরিমানা ২০০ ইউরো আর ৪ পয়েন্ট কাটা যায়।
- Ceda el paso (পথ দিন): উল্টানো ত্রিভুজ, লাল কিনারা। নিরাপদ হলে সম্পূর্ণ না থেমেও গতি কমিয়ে এগোনো যায়।
STOP আর Ceda el paso দুটোই "থামুন" জাতীয় মনে হলেও, একটায় সম্পূর্ণ থামা বাধ্যতামূলক, অন্যটায় না। পরীক্ষায় এই পার্থক্যটা প্রায়ই জিজ্ঞেস করা হয়।
#কেন সিগন্যাল সবসময় চিহ্নের ওপরে
একই জায়গায় ট্রাফিক সিগন্যাল (বাতি) আর কোনো চিহ্ন দুটোই থাকলে, সিগন্যালটাই মানতে হবে। অগ্রাধিকারের ক্রম: পুলিশের নির্দেশ সবার আগে, তারপর সিগন্যাল, তারপর চিহ্ন, সবশেষে সাধারণ নিয়ম। এই ক্রমটা চতুর্থ পাঠেও উল্লেখ করা হয়েছে।
#রঙের সংক্ষিপ্ত সারাংশ
- লাল: নিষেধ বা সতর্কতা
- নীল: বাধ্যবাধকতা বা তথ্য
- হলুদ/কমলা: সাময়িক পরিস্থিতি, যেমন রাস্তার কাজ বা বিকল্প পথ
- সবুজ: মহাসড়কের দিকনির্দেশনা (কিছু ক্ষেত্রে)
#অনুশীলনের কৌশল
একটা অচেনা চিহ্ন দেখলে, প্রথমেই আকার আর রং দেখুন, তারপর ভেতরের ছবি। শুধু আকার-রং দেখেই বোঝা যায় এটা বিপদ, নিষেধ, বাধ্যতামূলক নাকি তথ্যমূলক চিহ্ন, এরপর ভেতরের পিকটোগ্রাম দেখে নির্দিষ্ট অর্থ বোঝা যায়। এই দুই ধাপের পদ্ধতিটা পরীক্ষায় অচেনা চিহ্নের প্রশ্নেও কাজে লাগে।