cita নেওয়া, vida laboral দেখা, নাগরিকত্বের আবেদনের অবস্থা যাচাই, প্রায় প্রতিটা সরকারি সাইটেই একটা প্রশ্ন আসে: কীভাবে নিজের পরিচয় প্রমাণ করবেন?
উত্তরটা বেশিরভাগ সময় Cl@ve।
#Cl@ve আসলে কী
Cl@ve একটা একক পরিচয় ব্যবস্থা। AEAT (কর), Seguridad Social, SEPE, DGT, এমনকি Ministerio de Justicia, প্রতিটা আলাদা করে লগইন বানানোর বদলে একটাই পরিচয় দিয়ে সবগুলোতে ঢোকা যায়।
প্রতিটা সাইট নিজের মতো করে ঠিক করে কোন ধরনের Cl@ve গ্রহণ করবে। AEAT যেমন Cl@ve Permanente নেয় না, কিন্তু Cl@ve PIN নেয়। তাই Cl@ve থাকলেই যে সব জায়গায় ঢোকা যাবে, তা নয়; কোন সাইট আর কোন ধরনের Cl@ve, তার ওপর নির্ভর করে।
#তিনটা রূপ
Cl@ve PIN
এক-বারের জন্য পাসওয়ার্ড। প্রতিবার নতুন করে চাইতে হয়, app বা SMS দিয়ে। মাঝে মাঝে যারা সরকারি সাইটে ঢোকেন, তাদের জন্য।
Cl@ve Permanente
দীর্ঘমেয়াদি (কিন্তু চিরস্থায়ী নয়) পরিচয় ও পাসওয়ার্ড, বাড়তি নিরাপত্তার জন্য SMS-এ এককালীন কোডসহ। নিয়মিত সরকারি সাইট ব্যবহার করলে এটাই সুবিধাজনক।
Cl@ve Firma
শুধু পরিচয় যাচাই নয়, ডিজিটাল স্বাক্ষরও করা যায়। কিন্তু এখনও খুব কম সংখ্যক প্রক্রিয়ায় এটা ব্যবহার করা যায়।
সাধারণ Cl@ve PIN বা Permanente দিয়ে শুধু পরিচয় প্রমাণ করা যায়, স্বাক্ষর করা যায় না। কোনো ফর্মে ডিজিটাল স্বাক্ষর লাগলে, আর আপনার শুধু PIN বা Permanente থাকলে, সেটা যথেষ্ট না হতে পারে।
#নিবন্ধন কীভাবে করবেন
তিনটা পথ আছে।
ভিডিও দিয়ে, ঘরে বসেই
Cl@ve app-এ videoidentificación অপশন বেছে নিন। ফোন নম্বর, ইমেইল দিয়ে যাচাই, আর ছোট একটা ভিডিও রেকর্ডিং, ব্যস। সঙ্গে সঙ্গে নিবন্ধন হয়ে যায়, অফিসে যাওয়া লাগে না।
নতুন কারও জন্য এটাই সবচেয়ে সহজ পথ। কোনো cita লাগে না, কোনো অফিসে যাওয়া লাগে না।
চিঠি দিয়ে
আবেদন করলে একটা কোড (CSV) আপনার padrón-এ নিবন্ধিত ঠিকানায় ডাকযোগে আসে। কোড হাতে পেলে অনলাইনে গিয়ে সেটা দিয়ে নিবন্ধন সম্পূর্ণ করা যায়।
এই পথে সময় লাগে, ডাক আসতে কয়েকদিন থেকে দুই সপ্তাহ পর্যন্ত। ভিডিও পদ্ধতি দ্রুত হলে সেটাই বেছে নিন।
সশরীরে অফিসে গিয়ে
Oficina de Registro Cl@ve-এ গিয়ে সরাসরি নিবন্ধন করা যায়। কিছু অফিসে cita previa লাগে।
ভিডিও বা অনলাইন পদ্ধতিতে নিবন্ধন করলে সাধারণত básico স্তরের নিবন্ধন হয়, যা বেশিরভাগ কাজে যথেষ্ট। কিন্তু কিছু সংবেদনশীল সেবার জন্য avanzado স্তর লাগে, যেটার জন্য সশরীরে যাওয়া বা ইতিমধ্যে থাকা digital certificate লাগতে পারে। নির্দিষ্ট সাইটে ঢুকতে না পারলে এটাই কারণ হতে পারে।
#যা লাগবে
- NIE বা TIE নম্বর
- একটা মোবাইল নম্বর, বাংলাদেশি নম্বরও চলে
- একটা ইমেইল
বিদেশি ফোন নম্বর দিয়েও নিবন্ধন করা যায়। শুধু নিশ্চিত করুন সেই নম্বরে বিদেশ থেকে SMS আসতে পারে কি না।
একটা ফোন নম্বর দিয়ে একজনের NIE-ই নিবন্ধন করা যায়। পরিবারে একটা ফোন সবাই মিলে ব্যবহার করলে, দ্বিতীয়জন সেই নম্বর দিয়ে নিবন্ধন করতে গেলে প্রথমজনের Cl@ve স্বয়ংক্রিয়ভাবে বন্ধ হয়ে যায়। প্রত্যেকের জন্য আলাদা নম্বর ব্যবহার করাই ভালো, সম্ভব হলে।
#খরচ
নিবন্ধন, ব্যবহার, সবকিছু সম্পূর্ণ বিনামূল্যে।
কেউ যদি টাকার বিনিময়ে Cl@ve বানিয়ে দেওয়ার প্রস্তাব দেয়, সেটা এড়িয়ে চলুন। এই প্রক্রিয়ায় কোনো ফি নেই, আর নিজের পরিচয়পত্র ও ফোন নম্বর অচেনা কারও হাতে দেওয়ার কোনো কারণ নেই।
#ছোট কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ কিছু কথা
- নিবন্ধনের সময় একটা activation code পাবেন, PDF আকারে। এটা সংরক্ষণ করুন। পাসওয়ার্ড ভুলে গেলে বা বন্ধ হয়ে গেলে এই কোড দিয়েই আবার চালু করা যায়।
- পরপর পাঁচবার ভুল দিলে সিস্টেম লক হয়ে যায়। তখন activation code ছাড়া আর কোনো উপায় নেই, পুরো নিবন্ধন আবার করতে হয়।
- Seguridad Social-এর Importass পোর্টালে, TIE-র জন্য cita নিতে, আর নাগরিকত্বের আবেদনের অবস্থা দেখতে, বিভিন্ন জায়গায় Cl@ve কাজে লাগে।
#যে ভুলগুলো সবচেয়ে বেশি হয়
- কাজের ঠিক আগের দিন নিবন্ধন করতে যাওয়া। ভিডিও পদ্ধতি সাধারণত দ্রুত, কিন্তু কারিগরি সমস্যা হলে সময় লাগতে পারে। আগে থেকে করে রাখাই ভালো।
- সব সাইটে একই Cl@ve চলবে ভাবা। সাইটভেদে গ্রহণযোগ্য ধরন আলাদা হয়।
- activation code হারিয়ে ফেলা। PDF ডাউনলোড করে নিরাপদ জায়গায় রাখুন।
- একই ফোন নম্বর পরিবারে একাধিকবার ব্যবহারের চেষ্টা। আগেরজনের Cl@ve বন্ধ হয়ে যায়।
- টাকা দিয়ে কাউকে দিয়ে করানো। সম্পূর্ণ বিনামূল্যে, নিজে করাই নিরাপদ।
#আরও পড়ুন
- Padrón, চিঠি দিয়ে নিবন্ধনের ঠিকানার ভিত্তি
- NUSS আর Seguridad Social
- TIE-র জন্য cita, যেখানে Cl@ve কাজে লাগে
সরকারি পাতা: Cl@ve, কীভাবে নিবন্ধন করবেন
প্রযুক্তিগত প্রক্রিয়া ও অ্যাপের ইন্টারফেস সময়ের সঙ্গে বদলায়। এই লেখাটি সাধারণ দিকনির্দেশনা। নিবন্ধনের সময় সরকারি Cl@ve পাতায় সবশেষ নির্দেশনা দেখে নিন।