পঞ্চম পাঠে শেখা হয়েছে ত্রিভুজ, লাল কিনারা মানেই বিপদ সতর্কতা (peligro)। কিন্তু এই একটা বিভাগেই সরকারি ক্যাটালগে ৫০টার বেশি নির্দিষ্ট চিহ্ন আছে, P-1 থেকে P-50 পর্যন্ত কোডসহ। পরীক্ষায় প্রায়ই একই রকম দেখতে দুটো চিহ্নের মধ্যে পার্থক্য জিজ্ঞেস করা হয়। এই লেখায় সেই জোড়াগুলোর দিকে মনোযোগ দেওয়া যাক।

প্রতিটা P- চিহ্ন আলাদা করে মুখস্থ করার দরকার নেই। যেগুলো দেখতে প্রায় একই রকম, শুধু সেই জোড়াগুলোর পার্থক্য বুঝলেই পরীক্ষার বেশিরভাগ প্রশ্নের উত্তর দেওয়া যায়।

চিহ্নে যদি একটামাত্র বাঁকা রেখা থাকে, সেটা P-13। যদি S-আকৃতির, একাধিক বাঁক দেখানো থাকে, সেটা P-14। পার্থক্যটা শুধু "একটা নাকি একাধিক" তার ওপর।

দুটো চিহ্নই রাস্তার উচ্চতাজনিত সমস্যা বোঝায়, কিন্তু একটা ওপরের দিকে, আরেকটা নিচের দিকে। চিহ্নের ভেতরের রেখার আকৃতি দেখেই পার্থক্য বোঝা যায়।

বেড়া ছাড়া পারাপারে ঝুঁকি বেশি, তাই চালকের নিজেই আরও বেশি সতর্ক থাকতে হয়, ট্রেন আসছে কিনা নিজে দেখে নিশ্চিত হতে হয়।

দুটোই প্রাণী নিয়ে সতর্কতা, কিন্তু ভেতরের ছবির প্রাণীর ধরন আলাদা।

শুধু একটা (!) চিহ্ন থাকা ত্রিভুজ চিহ্নটাকে (P-50) অনেকে ভুল করে "সাধারণ বিপদ সতর্কতা" ভাবেন। আসলে এটার নির্দিষ্ট অর্থ: তালিকায় নেই এমন অন্য কোনো বিপদ আছে সামনে, যেটার জন্য আলাদা কোনো নির্দিষ্ট চিহ্ন তৈরি করা হয়নি।

P-50 দেখলে "কোনো বিপদ নেই" ভাবার সুযোগ নেই, বরং এটা এমন একটা বিপদ যা অন্য কোনো নির্দিষ্ট চিহ্নে ধরা পড়ে না।

একটা অচেনা peligro চিহ্ন দেখলে, প্রথমে ভাবুন এটা কোন সাধারণ শ্রেণিতে পড়ে (রাস্তার আকৃতি সংক্রান্ত, প্রাণী সংক্রান্ত, আবহাওয়া সংক্রান্ত, নাকি অন্য কিছু), তারপর ভেতরের নির্দিষ্ট ছবিটা দেখে সিদ্ধান্ত নিন। জোড়া চিহ্নগুলোর (curva/curvas, resalto/badén, doméstico/libertad) পার্থক্য মনে রাখলে পরীক্ষায় সবচেয়ে বেশি ভুল হওয়া প্রশ্নগুলো এড়ানো যায়।